মার্কিন অনুরোধে মধ্যপ্রাচ্যে ড্রোন বিশেষজ্ঞ পাঠাচ্ছে ইউক্রেন; বদলে প্যাট্রিয়ট মিসাইল চাইলেন জেলেনস্কি

বিশ্ব, মধ্যপ্রাচ্য মার্কিন অনুরোধে মধ্যপ্রাচ্যে ড্রোন বিশেষজ্ঞ পাঠাচ্ছে ইউক্রেন; বদলে প্যাট্রিয়ট মিসাইল চাইলেন জেলেনস্কি মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমায় ইরানি ড্রোনের দাপট রুখতে এবার ইউক্রেনের দ্বারস্থ হয়েছে মার্কিন প্রশাসন। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি নিশ্চিত করেছেন যে, উপসাগরীয় অঞ্চলের মিত্রদেশগুলোকে ইরানি ড্রোন বা ‘শাহেদ’ থেকে সুরক্ষা দিতে আমেরিকার পক্ষ থেকে বিশেষ সহায়তার অনুরোধ জানানো হয়েছে। বছরের পর বছর রাশিয়ার ছোড়া ইরানি নকশার শাহেদ ড্রোন মোকাবিলা করার কারণে ইউক্রেনীয় বিশেষজ্ঞদের এখন এই বিষয়ে বিশ্বের সবথেকে অভিজ্ঞ বলে গণ্য করা হচ্ছে। জেলেনস্কি জানিয়েছেন, তিনি ইতিমধ্যেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ইউক্রেনীয় বিশেষজ্ঞদের পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন, যারা মিত্রদেশগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সক্ষম।

মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমায় ইরানি ড্রোনের দাপট রুখতে এবার ইউক্রেনের দ্বারস্থ হয়েছে মার্কিন প্রশাসন। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি নিশ্চিত করেছেন যে, উপসাগরীয় অঞ্চলের মিত্রদেশগুলোকে ইরানি ড্রোন বা ‘শাহেদ’ থেকে সুরক্ষা দিতে আমেরিকার পক্ষ থেকে বিশেষ সহায়তার অনুরোধ জানানো হয়েছে। বছরের পর বছর রাশিয়ার ছোড়া ইরানি নকশার শাহেদ ড্রোন মোকাবিলা করার কারণে ইউক্রেনীয় বিশেষজ্ঞদের এখন এই বিষয়ে বিশ্বের সবথেকে অভিজ্ঞ বলে গণ্য করা হচ্ছে। জেলেনস্কি জানিয়েছেন, তিনি ইতিমধ্যেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ইউক্রেনীয় বিশেষজ্ঞদের পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন, যারা মিত্রদেশগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সক্ষম।

প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি এই পরিস্থিতিকে ইউক্রেনের জাতীয় স্বার্থে ব্যবহার করার একটি বড় সুযোগ হিসেবে দেখছেন। তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, এই সহায়তা কেবল তখনই দেওয়া হবে যদি ইউক্রেনের নিজস্ব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল না হয় এবং বিনিময়ে কিয়েভ বিশেষ কিছু কূটনৈতিক ও সামরিক সুবিধা পায়। জেলেনস্কি একটি বিশেষ ‘বিনিময়’ বা সোয়াপ চুক্তির প্রস্তাব দিয়েছেন। তিনি চান ইউক্রেনের তৈরি ড্রোন ইন্টারসেপ্টরগুলোর বিনিময়ে আমেরিকা যেন তাদের আরও বেশি প্যাট্রিয়ট (Patriot) আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রদান করে। উল্লেখ্য, গত কয়েক দিনে মধ্যপ্রাচ্যে প্রায় ৮০০টি প্যাট্রিয়ট পিএসি-৩ মিসাইল ব্যবহৃত হয়েছে, যা পুরো যুদ্ধ চলাকালীন ইউক্রেনের পাওয়া মোট মিসাইলের চেয়েও বেশি। কিয়েভ চায় না এই মূল্যবান ও দুষ্প্রাপ্য মিসাইলগুলো সস্তা ড্রোন ভূপাতিত করতে গিয়ে নষ্ট হোক।

এই নতুন সমীকরণ ইউক্রেনের জন্য একাধারে সামরিক ও কূটনৈতিক সাফল্যের পথ খুলে দিতে পারে। সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, বাহরাইন এবং কুয়েতের মতো দেশগুলোর সঙ্গে জেলেনস্কি ইতিমধ্যেই কথা বলেছেন এবং তাদের সামরিক ও বেসামরিক অবকাঠামো রক্ষায় ‘বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ’ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। ইউক্রেন আশা করছে, এই সহায়তার মাধ্যমে তারা সৌদি আরবসহ আরব দেশগুলোর আস্থা অর্জন করতে পারবে, যারা ঐতিহ্যগতভাবে রাশিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখে। তবে ইউক্রেনীয় প্রতিরক্ষা শিল্পের প্রধান ইহোর ফেদিরকো সতর্ক করেছেন যে, কেবল অস্ত্র পাঠানোই যথেষ্ট নয়; বিদেশি সেনাদের এই প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষ করে তুলতে যে প্রশিক্ষণ প্রয়োজন, তা প্রদান করা বর্তমানে ইউক্রেনের জন্য কঠিন চ্যালেঞ্জ। কারণ কিয়েভের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলো এখন নিজস্ব সেনাবাহিনী ও বেসামরিক নাগরিকদের প্রশিক্ষণ দিতেই ব্যস্ত।

আরও খবর