দিল্লিতে দুর্ঘটনা, অর্থ মন্ত্রকের আধিকারিকের মৃত্যু, গ্রেপ্তার অভিযুক্ত

দেশ দিল্লিতে দুর্ঘটনা, অর্থ মন্ত্রকের আধিকারিকের মৃত্যু, গ্রেপ্তার অভিযুক্ত নয়া দিল্লি: গতকাল বিকেলে দিল্লিতে একটি বিএমডব্লিউ গাড়ির ধাক্কায় কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রকের উচ্চপদস্থ আধিকারিক নভজ্যোত সিং-এর মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্ত গগনপ্রীত কৌরকে আজ একটি হাসপাতাল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অনিচ্ছাকৃত খুন, প্রমাণ লোপাট এবং বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালানোর অভিযোগ আনা হয়েছে।
অর্থ মন্ত্রকের অর্থনৈতিক বিষয়ক বিভাগের ডেপুটি সেক্রেটারি নভজ্যোত সিং (বামে); দুর্ঘটনাগ্রস্থ BMW গাড়িটি।

নয়া দিল্লি: গতকাল বিকেলে দিল্লিতে একটি বিএমডব্লিউ গাড়ির ধাক্কায় কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রকের উচ্চপদস্থ আধিকারিক নভজ্যোত সিং-এর মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্ত গগনপ্রীত কৌরকে আজ একটি হাসপাতাল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অনিচ্ছাকৃত খুন, প্রমাণ লোপাট এবং বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালানোর অভিযোগ আনা হয়েছে।

সংবাদমাধ্যমের ছবিতে দেখা গেছে, জিটিবি নগরের একটি হাসপাতাল থেকে তাকে বের করে পুলিশের গাড়িতে তোলা হচ্ছে। সামান্য আঘাতের জন্য তিনি ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

৩৮ বছর বয়সী গগনপ্রীতের স্বামী পরীক্ষিত মাক্কারও (৪০) দুর্ঘটনার সময় গাড়িতে তার সঙ্গে ছিলেন। দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট মেট্রো স্টেশনের কাছে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। জানা গেছে, এই দম্পতি গুরুগ্রামে থাকেন এবং তাদের বিলাসবহুল পণ্যের ব্যবসা রয়েছে। এফআইআর-এ পরীক্ষিতের নামও উল্লেখ করা হয়েছে।

মৃত ৫২ বছর বয়সী নভজ্যোত সিং কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রকের ডেপুটি সেক্রেটারি পদে কর্মরত ছিলেন। গতকাল তিনি তার স্ত্রী সন্দীপ কৌরের সঙ্গে বাংলা সাহেব গুরুদ্বারে গিয়েছিলেন। এরপর আরকে পুরমের কর্ণাটক ভবন থেকে মধ্যাহ্নভোজ সেরে বাড়ি ফেরার পথেই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। সন্দীপ পুলিশকে জানিয়েছেন যে, BMW গাড়িটি অত্যন্ত দ্রুতগতিতে এসে তাদের বাইকের পিছনে ধাক্কা মারে ও উল্টে যায়।

দুর্ঘটনার পর নভজ্যোত এবং সন্দীপকে একটি গাড়িতে করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এবং গগনপ্রীতও তাদের সঙ্গে যান। সন্দীপ পুলিশকে জানিয়েছেন যে, তিনি বারবার গগনপ্রীতকে কাছের কোনো হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করলেও, গগনপ্রীত গাড়ি চালককে দুর্ঘটনা স্থল থেকে প্রায় ১৯ কিলোমিটার দূরে জিটিবি নগরের নিউলাইফ হাসপাতালে যেতে বলেন।

পুলিশ সূত্রে আরও জানা গেছে, গগনপ্রীতের বাবা ওই হাসপাতালের মালিকদের একজন এবং মামলাটি ধামাচাপা দেওয়ার কোনো চেষ্টা করা হয়েছিল কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সমস্ত প্রোটোকল মেনে চলার কথা বললেও, মালিকদের সঙ্গে গগনপ্রীতের সম্পর্কের বিষয়টি নিশ্চিত করতে অস্বীকার করেছে। সূত্রের খবর, পুলিশের সন্দেহ, মেডিকেল রিপোর্টসহ অন্যান্য প্রমাণ নষ্ট করার উদ্দেশ্যেই গগনপ্রীত আহতদের নিউলাইফ হাসপাতালে নিয়ে এসেছিলেন।

আরও খবর