মাদুরো বন্দির পর নতুন মোড়; কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনরুদ্ধারে একমত আমেরিকা ও ভেনিজুয়েলা

বিশ্ব মাদুরো বন্দির পর নতুন মোড়; কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনরুদ্ধারে একমত আমেরিকা ও ভেনিজুয়েলা ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো মার্কিন বাহিনীর হাতে বন্দি হওয়ার পর দুই দেশের বৈরী সম্পর্কে এক আমূল পরিবর্তন এল। দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক অচলাবস্থা কাটিয়ে আমেরিকা ও ভেনিজুয়েলা পুনরায় পূর্ণাঙ্গ কূটনৈতিক ও কনস্যুলার সম্পর্ক স্থাপনে সম্মত হয়েছে। এক যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, দুই পক্ষই এখন থেকে স্থায়িত্ব বজায় রাখা, অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার এবং রাজনৈতিক পুনর্মিলন ত্বরান্বিত করতে একযোগে কাজ করবে। ২০১৯ সালে কারাকাসে বন্ধ হয়ে যাওয়া মার্কিন দূতাবাস ইতিমধ্যেই পুনরায় চালু করা হয়েছে এবং ওয়াশিংটন সেখানে নতুন কূটনীতিক নিয়োগ করেছে।

ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো মার্কিন বাহিনীর হাতে বন্দি হওয়ার পর দুই দেশের বৈরী সম্পর্কে এক আমূল পরিবর্তন এল। দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক অচলাবস্থা কাটিয়ে আমেরিকা ও ভেনিজুয়েলা পুনরায় পূর্ণাঙ্গ কূটনৈতিক ও কনস্যুলার সম্পর্ক স্থাপনে সম্মত হয়েছে। এক যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, দুই পক্ষই এখন থেকে স্থায়িত্ব বজায় রাখা, অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার এবং রাজনৈতিক পুনর্মিলন ত্বরান্বিত করতে একযোগে কাজ করবে। ২০১৯ সালে কারাকাসে বন্ধ হয়ে যাওয়া মার্কিন দূতাবাস ইতিমধ্যেই পুনরায় চালু করা হয়েছে এবং ওয়াশিংটন সেখানে নতুন কূটনীতিক নিয়োগ করেছে।

গত জানুয়ারি মাসে এক ঝটিকা অভিযানে নিকোলাস মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে আটক করে ম্যানহাটনের একটি আদালতে হাজির করে মার্কিন সেনারা। তাঁদের বিরুদ্ধে মাদক ও অস্ত্র পাচারের গুরুতর অভিযোগ আনা হলেও মাদুরো তা অস্বীকার করেছেন। এই মাসেই আমেরিকায় তাঁর বিচার শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। তবে এর মধ্যেই ভেনিজুয়েলার অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জানিয়েছে, তারা পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে একটি ‘গঠনমূলক সংলাপের নতুন পর্যায়ে’ প্রবেশ করতে ইচ্ছুক। যদিও ওয়াশিংটন একটি গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারের কাছে শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তরের কথা বলছে, তবে কারাকাসের বিবৃতিতে ভবিষ্যৎ নির্বাচন বা ক্ষমতাান্তর নিয়ে কোনো সরাসরি উল্লেখ পাওয়া যায়নি।

কূটনৈতিক এই পরিবর্তনের পেছনে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদের এক বড় ভূমিকা রয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। মার্কিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডাগ বারগাম ভেনিজুয়েলা সফর শেষে জানিয়েছেন যে, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুর আগেই ভেনিজুয়েলায় হস্তক্ষেপ করা একটি ‘চমৎকার কৌশলগত পদক্ষেপ’ ছিল। এর ফলে আমেরিকায় তেলের জোগান নিশ্চিত করা সহজ হবে। ইতিমধ্যেই ভেনিজুয়েলা তাদের খনিজ তেল এবং খনি শিল্পে বিদেশি বিনিয়োগের পথ প্রশস্ত করতে আইনে বদল এনেছে। গত বুধবার ভেনিজুয়েলার অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ ও মার্কিন প্রতিনিধিরা যৌথভাবে সোনা, হীরা এবং বিরল খনিজ সম্পদ উত্তোলনের বিষয়ে কাজ করার অঙ্গীকার করেছেন।

আরও খবর