যুদ্ধের কোপ হেঁশেলে: বন্ধ হলো রান্নার গ্যাসের ডবল সিলিন্ডার কানেকশন

বাণিজ্য, দেশ, পশ্চিমবঙ্গ যুদ্ধের কোপ হেঁশেলে: বন্ধ হলো রান্নার গ্যাসের ডবল সিলিন্ডার কানেকশন ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান যুদ্ধের আঁচ এবার সরাসরি এসে পড়ল সাধারণ মানুষের হেঁশেলে। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির পরিস্থিতির জেরে রান্নার গ্যাসের (LPG) জোগান স্বাভাবিক রাখতে কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে তেল সংস্থাগুলো। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, আপাতত নতুন করে কোনো গ্রাহককে দ্বিতীয় বা ডবল সিলিন্ডারের সংযোগ দেওয়া হবে না। এমনকি বিদ্যমান গ্রাহকরাও যদি অতিরিক্ত বা দ্বিতীয় সিলিন্ডারের জন্য আবেদন করেন, তবে ডিস্ট্রিবিউটরদের তা প্রদান থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মূলত যুদ্ধের কারণে ভবিষ্যতে আমদানিতে কোনো বিঘ্ন ঘটলে যাতে মজুত গ্যাসে টান না পড়ে, সেই আগাম সতর্কতা হিসেবেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান যুদ্ধের আঁচ এবার সরাসরি এসে পড়ল সাধারণ মানুষের হেঁশেলে। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির পরিস্থিতির জেরে রান্নার গ্যাসের (LPG) জোগান স্বাভাবিক রাখতে কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে তেল সংস্থাগুলো। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, আপাতত নতুন করে কোনো গ্রাহককে দ্বিতীয় বা ডবল সিলিন্ডারের সংযোগ দেওয়া হবে না। এমনকি বিদ্যমান গ্রাহকরাও যদি অতিরিক্ত বা দ্বিতীয় সিলিন্ডারের জন্য আবেদন করেন, তবে ডিস্ট্রিবিউটরদের তা প্রদান থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মূলত যুদ্ধের কারণে ভবিষ্যতে আমদানিতে কোনো বিঘ্ন ঘটলে যাতে মজুত গ্যাসে টান না পড়ে, সেই আগাম সতর্কতা হিসেবেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্ববাণিজ্যের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ ‘হরমুজ প্রণালী’ দিয়ে তেল ও গ্যাসবাহী জাহাজের চলাচল ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ভারতের মোট এলপিজি চাহিদার প্রায় ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশই আমদানি করতে হয় উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে, যার সিংহভাগই এই প্রণালী পার হয়ে দেশে পৌঁছায়। বর্তমানে ভারতে প্রায় ৩০ দিনের রান্নার গ্যাস মজুত থাকলেও, সরবরাহকারী জাহাজগুলো যদি সঠিক সময়ে না পৌঁছাতে পারে, তবে বড় ধরনের সংকটের সৃষ্টি হতে পারে। এই আতঙ্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে অতিরিক্ত সিলিন্ডার বুকিংয়ের প্রবণতা দেখা দিয়েছে, যা সামাল দিতেই সরকার ও তেল সংস্থাগুলো এই কড়া সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে।

একদিকে গ্যাসের জোগান নিয়ে উদ্বেগের পাশাপাশি অন্যদিকে তেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গুজবে কান দিচ্ছেন অনেকেই। পেট্রোল পাম্পগুলোতে গাড়ির ট্যাঙ্ক ভর্তি করে নেওয়ার হিড়িক দেখা দিলেও ওয়েস্ট বেঙ্গল পেট্রোল ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অরুণ সিংঘানিয়া দেশবাসীকে আশ্বস্ত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন যে, এখনই আতঙ্কিত হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি এবং তেলের পর্যাপ্ত জোগান রয়েছে। তবে যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে দামের ক্ষেত্রে কিছুটা হেরফের হওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও এখনই অহেতুক জ্বালানি মজুত না করার জন্য সাধারণ মানুষকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

আরও খবর