বিধানসভা ভোটের মুখে ভরতপুরে বড় ভাঙন: কয়েক হাজার কর্মী নিয়ে কংগ্রেসে ফিরলেন দাপুটে নেতা সিজার

পশ্চিমবঙ্গ, দেশ, রাজনীতি বিধানসভা ভোটের মুখে ভরতপুরে বড় ভাঙন: কয়েক হাজার কর্মী নিয়ে কংগ্রেসে ফিরলেন দাপুটে নেতা সিজার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে মুর্শিদাবাদের ভরতপুর বিধানসভা এলাকায় বড়সড় ধাক্কা খেল শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। বৃহস্পতিবার বিকেলে সালারের উজুনিয়াতে আয়োজিত এক জনসভায় ঘাসফুল শিবির ত্যাগ করে সপার্ষদ কংগ্রেসে যোগ দিলেন দাপুটে নেতা তথা প্রাক্তন ব্লক তৃণমূল সভাপতি আজাহার উদ্দিন সিজার। তাঁর সঙ্গে কয়েক হাজার তৃণমূল কর্মীও এদিন কংগ্রেসের পতাকা হাতে তুলে নেন।

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে মুর্শিদাবাদের ভরতপুর বিধানসভা এলাকায় বড়সড় ধাক্কা খেল শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। বৃহস্পতিবার বিকেলে সালারের উজুনিয়াতে আয়োজিত এক জনসভায় ঘাসফুল শিবির ত্যাগ করে সপার্ষদ কংগ্রেসে যোগ দিলেন দাপুটে নেতা তথা প্রাক্তন ব্লক তৃণমূল সভাপতি আজাহার উদ্দিন সিজার। তাঁর সঙ্গে কয়েক হাজার তৃণমূল কর্মীও এদিন কংগ্রেসের পতাকা হাতে তুলে নেন।

প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীর হাত থেকে তেরঙা পতাকা গ্রহণ করে পুরনো দল কংগ্রেসে ফিরে এলেন সিজার। আদতে কট্টর কংগ্রেসী হিসেবে পরিচিত আজাহার উদ্দিন সিজার রাজ্যে পালাবদলের সময় তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছিলেন। দীর্ঘ ১০ বছর তিনি সালার ব্লকের তৃণমূল সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। নির্বাচন দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে তাঁর এই ‘ঘরওয়াপসি’ ভরতপুর এলাকায় তৃণমূলের সংগঠনে বড় ফাটল ধরাল বলে মনে করা হচ্ছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সিজারের মতো প্রভাবশালী নেতার দলবদল নিছক ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নয়; বরং স্থানীয় স্তরে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এবং নেতৃত্বের প্রতি ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। দলবদল প্রসঙ্গে অধীর চৌধুরী বলেন, “মানুষ এখন বুঝতে পারছে যে উন্নয়নের প্রকৃত দিশা কংগ্রেসই দেখাতে পারে। সিজারের প্রত্যাবর্তনে মুর্শিদাবাদে কংগ্রেসের হাত আরও শক্ত হলো।”

নির্বাচনের দামামা বাজার ঠিক আগেই এই ঘটনা ভরতপুরের রাজনৈতিক সমীকরণকে ওলটপালট করে দিতে পারে। বিশেষ করে কয়েক হাজার কর্মীর এই গণ-যোগদান কংগ্রেস শিবিরকে বড় ধরনের ‘অক্সিজেন’ দেবে বলে মনে করা হচ্ছে। মুর্শিদাবাদ জেলা রাজনীতিতে এই ঘটনা এখন টক অফ দ্য টাউন।

আরও খবর