
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির নিহত হওয়ার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছে দেশটির বার্তা সংস্থা ফারস নিউজ এজেন্সি। সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, শনিবার ভোরে নিজের কার্যালয়ে “নির্ধারিত দায়িত্ব পালনরত” অবস্থায় তিনি নিহত হন। এর আগে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে তাঁর মৃত্যুর খবর প্রথম প্রচার করা হলেও, সে সময় ঘটনার কোনো বিস্তারিত বিবরণ বা পারিপার্শ্বিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
খামেনির নিহত হওয়ার ঘটনার পর ইরান সরকার দেশজুড়ে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে। ফারস নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই রাষ্ট্রীয় শোক পালনের পাশাপাশি ইরানে টানা সাত দিনের সাধারণ ছুটিও ঘোষণা করা হয়েছে।
খামেনির এই মৃত্যু তেহরান, গোটা ইরান এবং বৃহত্তর মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের জন্য এক সম্পূর্ণ ভিন্ন ও নতুন দিনের সূচনা করেছে। ইরানের ইসলামি বিপ্লবে তিনি এক নির্ণায়ক ভূমিকা পালন করেছিলেন। তাঁর প্রতি সাধারণ মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি মিশ্র; অনেকেই তাঁকে ইতিবাচকভাবে মূল্যায়ন করেন, আবার অনেকের কাছেই তিনি অত্যন্ত নেতিবাচক এক চরিত্র।
যদিও ইসলামি প্রজাতন্ত্র এবং ইসলামি বিপ্লবের ক্ষেত্রে তাঁর অপরিহার্য অবস্থানকে এড়িয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। বিপ্লবের আগে এবং পরে—উভয় সময়েই তিনি ছিলেন অত্যন্ত কেন্দ্রীয় এবং প্রভাবশালী এক ব্যক্তিত্ব। বর্তমানে তাঁকে ইসলামি বিপ্লবের ‘শহীদ’ হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে।
